কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট আয়োজিত ফ্রিপ’র আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিকল্পনা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইং এর পরিচালক মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক ভীত মজবুত করতে কৃষি উন্নয়নের বিকল্প নেই। জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির সহায়ক শক্তি কৃষিকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।দেশের খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলাসহ নিত্য নতুন ফসল বিদেশে রপ্তানী করতে কৃষির উন্নয়ন অনস্বীকার্য। তিনি প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করে কৃষির উন্নয়নে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।
তিনি মঙ্গলবার (২০মে) দুপুরে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট আয়োজিত ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমার্জেন্সি এসিস্ট্যান্টস প্রকল্প (ফ্রিপ) এর আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোঃ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফ্রিপ প্রকল্পের প্রজেক্ট ডাইরেক্টর ড.তৌফিকুর রহমান। রিপোর্টিয়ারের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী প্রকল্প পরিচালক (মনিটরিং) শাওন মজুমদার।
সহকারী প্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) ড. হুমায়ুন কবির ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার সুব্রত দেব নাথের উপস্থাপনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (ফাইন্যান্স এন্ড এডমিন উইং) ড. মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও অর্থ উইং এর উপ পরিচালক মোঃ মুরাদুল হাসান, বারি মৌলভীবাজার এর সিএসও ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট সিলেট এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শওকতুজ্জামান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সিলেটের অধ্যক্ষ ড. মোছাঃ কুহিনুর বেগম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেটের উপপরিচালক মোস্তফা ইকবাল আজাদ, হবিগঞ্জের উপ পরিচালক মোঃ আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার দীপক কুমার দাস।
দিনব্যাপী কর্মশালায় সিলেট বিভাগের ১২০জন কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, তিন বছর মেয়াদী ৩ শত কোটি টাকা ব্যয়ের ফ্রিপ প্রকল্পটি আগামী ২৬ সালের মার্চে শেষ হবে। প্রকল্পটি হাওর জেলা ৭টি সহ সিলেটের চার জেলায় চলমান রয়েছে। কৃষি বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিআরডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের ইতিমধ্যে ৬৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। এ প্রকল্পে সোলার সিষ্টেমের মাধ্যমে সেচ সুবিধা, পতিত জমিতে উৎপাদন, আধুনিক চাষাবাদ, কৃষি যান্ত্রিকীকরনের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজ্ঞপ্তি
Related News
সিলেট সদর উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ক সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সিলেট সদর উপজেলার গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহেরRead More
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে বিদেশি এয়ারলাইনসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া ও সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু করা হউক, সিলেট বিভাগ গণদাবি পরিষদ
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে সকল বিদেশি এয়ারলাইনসের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েরRead More

