Main Menu

মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের সকল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সহায়তার ব্যাপারে উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী খুবই আন্তরিক। মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস আগামী প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। তবে দুষ্কৃতকারীদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। যারা এদেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি, তারা এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও সুন্দিশাইল গণহত্যার ২৩ পরিবারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি না পাওয়া খুবই দুঃখজনক। মাসুক উদ্দিন এই শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি আদায়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করার আশ্বাস দেন। এ জন্য তিনি শহীদ পরিবারগুলোর সহযোগিতা কামনা করেন।
সিলেট প্রেসক্লাব আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুটি গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুক উদ্দিন এসব কথা বলেন।
সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ মো. রেনুর পরিচালনায় এ অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন দৈনিক সিলেটের ডাকের নির্বাহী সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল হামিদ মানিক ও গ্রন্থ দুটি প্রকাশনার পৃষ্ঠপাষক আনোয়ার শাহজাহান ফাউন্ডেশনের কর্ণধার আনোয়ার শাহজাহান। অনুভূতি ব্যক্ত করেন সুন্দিশাইল গণহত্যা ‘৭১ গ্রন্থের লেখক মো. ফয়ছল আলম ও মধু মিয়ার ডায়রি গ্রন্থের লেখক আহমাদ সেলিম।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির, সহ সভাপতি এম এ হান্নান ও আব্দুল কাদের তাপাদার, সাবেক সহসভপতি আ ফ ম সাঈদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ কবীর আহমদ সোহেল, সুন্দিশাইল গণহত্যায় শহীদ খুর্শিদ আলী লস্করের নাতি সাজু লস্কর। শুরুতেই কোরআন তেলাওয়াত করেন ক্লাব সদস্য এম এ মতিন।
সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে আবদুল হামিদ মানিক বলেন, ব্যক্তি, পরিবারের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে জাতিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দেওয়ার দৃঢ় সংকল্পে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে নেমেছিললেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষায় সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে স্বাধীনতা মানে অন্যের অধিকার হরণ করা নয়। ক্লাবের দুই তরুণ লেখক মো. ফয়ছল আলম ও আহমাদ সেলিম মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই দুটি লেখায় তাদের প্রশংসা করে তিনি। একই সঙ্গে সিলেট প্রেসক্লাবের সদস্যদের গ্রন্থ প্রকাশ উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য ক্লাব নেতৃবৃন্দের প্রতি তিনি আহবান জানান।
আনোয়ার শাহজাহান তাঁর বক্তব্যে সিলেট প্রেসক্লাবের গ্রন্থ প্রকাশের সঙ্গে ‘আনোয়ার শাহজাহান ফাউন্ডেশন’কে সম্পৃক্ত করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি সিলেট প্রেসক্লাবের এই কার্যক্রমে তার সহযোগিতা আব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ক্লাব সভাপতি অনুষ্ঠানের শুরুতেই গ্রন্থ দু’টির বিষয়বস্তু তুলে ধরে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাস আজও অপ্রকাশিত। এমনিই দু’টি প্রত্যন্ত এলাকার চিত্র দু’টি পৃথক গ্রন্থে তুলে ধরেছেন মো. ফয়ছল আলম ও আহমাদ সেলিম। এ জন্য তিনি লেখকদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে গ্রন্থ প্রকাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আনোয়ার শাহজাহানের প্রতি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান আতা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মারুফ আহমদ, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক কবির আহমদ, নির্বাহী সদস্য আশকার ইবনে আমিন লস্কর রাব্বী ও আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. আফতাব উদ্দিন, সদস্য মো. মুহিবুর রহমান, চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলন, মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, নাজমুল কবীর পাভেল, সিন্টু রঞ্জন চন্দ, শেখ আশরাফুল আলম নাসির, নৌসাদ আহমেদ চৌধুরী, খালেদ আহমদ, মো. মারুফ হাসান, ইদ্রিছ আলী, এম রহমান ফারুক, আবুল কালাম কাওছার, আব্দুল আউয়াল চৌধুরী শিপার, সাকিব আহমদ মিঠু প্রমুখ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *