নানা নাতনীর সন্তানের বাবা
মনে জানে পাপ, পুলিশ জানে বাপ- এ প্রবাদটির সত্যতা মিললো রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের তদন্তে। দীর্ঘ দিনের অনুসন্ধান ও জটিল সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে পুলিশের ধারণাটির সত্যতা মিললো।
বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুজ্জামান জানান, উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামে সপ্তম শ্রেণীর এক মাদরাসাছাত্রীর (১৪) সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা। ওই ছাত্রী ও পরিবারের পক্ষ থেকে নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের ইউপি সদস্য আয়ুব আলী সরদার ওরফে আয়ুব মেম্বারের ছেলে সোনাপুর মীর মশাররফ হোসেন কলেজের ছাত্র আকিদুল ইসলামকে সন্তানের বাবা বলে দাবি করে আসছিল।
এনিয়ে বালিয়াকান্দি থানায় ওই ছাত্রীর বাবা মামলা দায়ের করেন। আসামিদের পক্ষ থেকে আদালতে ডিএনএ টেস্টের জন্য আবেদন করেন। এতে ওই কলেজছাত্র নির্দোষ প্রমাণিত হয়। এরপরও ধোঁয়াশা কাটছিল না।
ওসি আরো বলেন, আমি ভিকটিমকে একাধিকবার জিজ্ঞাসা করা সত্ত্বেও সে ওই ছাত্রের নামই বলতে থাকে। পরে সন্দেহমূলক ১০ জনের নাম গ্রহণ করে সত্যতা যাচাইয়ে কাজ করা হয়। ডিএনএ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার পর অবশেষে সোমবার রাতে উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের বড়হিজলী গ্রামের জবেদ বিশ্বাসের ছেলে ওই ছাত্রীর ছোট নানা সাঈদ বিশ্বাসকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে সত্যতা স্বীকার করে। তাকে মঙ্গলবার সকালে রাজবাড়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Related News
জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুজিব আলীর বসত বাড়ী দখলের প্রতিকার চেয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর বরাবরে লিখিত আবেদন
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার আকলুকান্দি ইউনিয়নের মিলিক গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসীর পৈত্রিক বসতবাড়ী ও সায় সম্পত্তিRead More
হবিগঞ্জে নিজ খামার থেকে ফেরার পথে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
হবিগঞ্জের বাহুবলের নিজের খামার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলায় মোঃ সায়েদ (৪০) নামেRead More

