আশুলিয়ায় কারখানায় ভুত আতঙ্কে ১১ শ্রমিক অসুস্থ

ঢাকার আশুলিয়ায় চায়না মালিকানাধীন একটি পোশাক কারখানায় ভুত আতঙ্কে ১১শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাবীব ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে শ্রমিকরা। এ ঘটনায় ওই কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে আশুলিয়ার দক্ষিণ বাইপাইল কর্ণেলের টেক এলাকার ডংলিয়ন ফ্যাশন (বিডি) লিমিটেড কারখানায় ভুত আতঙ্কের এ ঘটনা ঘটে।
অসুস্থ শ্রমিকরা হলেন, মাহফুজুল (২৭), আরিফ হোসেন (৩০), শ্যামলী (২৭), আলেয়া (৩০), মোশারফ হোসেন (২৭), সৌরভ (২৫), আরিফা (২৫), মোছাঃ বেবী (২৫), রিনা আক্তার (২৭) ও ও সার্জেন্ট (অবঃ) ইসমাইল (৬০)। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থায় আশঙ্কাজনক।
আতঙ্কিত বেশ কয়েকজন শ্রমিক জানায়, সকালে প্রতি দিনের মতো তারা কারখানায় কাজে যোগদান করেন। সকাল ১০টার দিকে বেলী নামের এক শ্রমিক ওয়াশরুমে ঢুকলে ভুত আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত স্থানীয় হাবীব ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি কারখানায় ছড়িয়ে পড়লে আরো ১০জন নারী শ্রমিক বমি ও মাথা ব্যথা শুরু হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাবীব ক্লিনিকের এক চিকিৎসক বলেন, প্রতিদিন একজন না একজন শ্রমিক অসুস্থ হচ্ছে। এ রকম অবস্থা ১৫ দিন ধরে হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে হাবিব জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার বিল্লু দাস বলেন, একটি কারখানার বেশ কয়েকজন শ্রমিককে অসুস্থ অবস্থায় আমাদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। ডাক্তাররা তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আসলে কি হয়েছে ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণের পর জানা যাবে।
এ বিষয়ে ডংলিয়ন ফ্যাশন (বিডি) লিমিটেড কারখানার এডমিন ম্যানেজার আশরাফুল ইসলাম জানান, কি কারণে শ্রমিকরা অসুস্থ হয়েছে সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরাই এর কারণ বলতে পারবেন। আমাদের এখানে ৯ জনের মতো শ্রমিক অসুস্থ রয়েছে। তবে এখন আর সমস্যা নাই। চিকিৎসা নিয়ে শ্রমিকরা চলে গেছে। তবে দু’জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে।
Related News

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেওয়ার নিশ্চয়তা দিলো মিয়ানমার
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা থেকে প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকেRead More

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রRead More