Main Menu

সিলেটে কৃষকদের জন্য এলএসটিডি প্রকল্পের কার্যকরী উদ্যোগ: প্রযুক্তি গ্রামে নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ

‎সিলেট সদর উপজেলার পাইকরাজ প্রযুক্তি গ্রামে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ব্রি নিড়ানি যন্ত্র বিতরণ করা হয়। কার্যক্রমটি ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেটের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

‎উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মো: রেজওয়ান ভুঁইয়া, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন সিলেটের প্রধান; বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা: আবিদা সুলতানা, ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন, সিলেট; এবং সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া।

‎ড. ভুঁইয়া অনুষ্ঠানে বলেন, “এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এটি ধানের উৎপাদন বাড়াবে এবং কৃষিকাজকে আরও টেকসই ও লাভজনক করবে।”

‎বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোসা: আবিদা সুলতানা উল্লেখ করেন, “নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করে কৃষকরা কম সময় ও খরচে জমি আগাছামুক্ত রাখতে পারবেন। এটি শুধু শ্রম সাশ্রয় করবে না, ফসলের ফলন ও মান উন্নয়নে সরাসরি সহায়ক হবে।”

‎সদর উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: ফজলে মঞ্জুর ভুঁইয়া বলেন, “কৃষকদের জন্য এই ধরনের সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। নিড়ানি যন্ত্রের মাধ্যমে জমির যত্ন নেওয়া সহজ হচ্ছে এবং ফলন বাড়াতে সহায়তা করছে।”

‎স্থানীয় কৃষকরা জানান, নিড়ানি যন্ত্র ব্যবহার করলে তাদের জমি দ্রুত ও কার্যকরভাবে আগাছামুক্ত হয়, যা কম শ্রমে বেশি ফলন নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি, সময় ও শ্রম সাশ্রয় হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমে যাচ্ছে এবং ফসলের মান উন্নয়ন হচ্ছে। উল্লেখ্য, কার্যক্রমটি এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো: আনোয়ার হোসেন-এর দূরদর্শী পরিকল্পনা ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

‎বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের উদ্যোগ দেশের ধান উৎপাদনকে টেকসই, লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব করার পাশাপাশি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এলএসটিডি প্রকল্পের এই কার্যক্রমকে স্থানভিত্তিক প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *